ইন্টারেক্টিভ টাইমলাইন

নবুওয়াত পূর্ব জীবন

মাক্কি জীবন
  • ওহীর সূচনা ও নবুওয়াত প্রাপ্তি

    রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স ৪০ হলে একদিন হেরা গুহায় জিব্রাঈল এসে ওহীর সূচনা করেন। (সীরাতে মুস্তফা ১/১৫৫) এর পর অজু ও নামায শিখান। তবে তখন নামায ছিল ২ ওয়াক্ত।..বিস্তারিত

  • প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াত

    মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপনেই ইসলাম প্রচার করছিলেন। এই প্রচারের ফলস্বরূপ ভ্রাতৃত্ব-বন্ধনে আবদ্ধ ও পরস্পর সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে মুমিনদের যখন একটি দল সৃষ্টি হলো, রিসালাতের বোঝা বহনের মতো যোগ্যতা তাঁর অর্জিত হলো ও ইসলাম  এবং ইসলামের অবস্থান পোক্ত হওয়ার মতো একটি ভিত্তি তৈরি হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া ও বাতিল-দ্বীন-উপাস্যদের উত্তম […]..বিস্তারিত

  • রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বয়কট

    নবুওয়াতের ৭ম বছর মুহাররম থেকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুসলমানদের সহ পুর্ন বনু হাশেম ও বনু আব্দুল মুত্তালিবকে মক্কার অন্যান্য সব গোত্র একত্রিত হয়ে বয়কট করে। ফলে আবু তালেব সকলকে নিয়ে শীয়াবে আবি তালেব নামক স্থানে আশ্রয় নেন। তিন বছর পর্যন্ত এই বয়কট ছিল।..বিস্তারিত

  • খাদিজা (রাঃ) ও আবু তালেবের ইন্তেকাল

    বার্ধক্য, দুশ্চিন্তা, অনিয়ম ইত্যাদি নানাবিধ কারণে রাসূলুল্লাহর চাচা আবু তালিব খুব ভেঙে পড়েছিলেন। তার উপর বয়কট-জীবনের দুঃসহ কষ্ট ও নানাজনিত পীড়ায় তিনি ন্যুব্জ হয়ে যাচ্ছিলেন। অসুস্থতা ক্রমেই বাড়ছিলো। সবাই বুঝতে পারছিলো, আবু তালিবের দিন ঘনিয়ে আসছে। সেই দিন একদিন এলো। প্রিয় একা-ভাতিজাকে আরও একা করে আবু তালিব চলে গেলেন। পাড়ি জমালেন পরপারে। যখন আবু তালিবের […]..বিস্তারিত

  • সাওদা (রা) র সাথে বিবাহ

    খাদিজা (রা)র ইন্তেকালের পর শাওয়াল মাসে সাওদা (রা) কে বিবাহ করেন।..বিস্তারিত

  • তায়েফে হিজরত

    স্ত্রী ও চাচার ইন্তেকালের পর শাওয়াল মাসের শেষ দিকে রসূল (সাঃ) তায়েফে দাওয়াত দেয়ার উদ্দেশ্যে যান। কিন্তু তারা ঈমান না এনে উল্টো রসূল ( সাঃ) কে তাড়িয়ে দেয়।..বিস্তারিত

  • ইসরা ও মেরাজ

    তায়েফ থেকে ফেরার পরের বছর আল্লাহ তাআলা রসূল (সাঃ)কে এমন এক  সম্মান দান করেন, যা অন্য কোন নবী বা রসূলকে দেয়া হয়নি। সে সম্মান হচ্ছে,  ইসরা ও মেরাজের সম্মান। রসূল (সাঃ) কে জিব্রাঈল ও মিকাইল (আঃ) মক্কা থেকে শুরু করে, পথে বিভিন্ন স্থানে থেমে, বাইতুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত  নিয়ে যান। এই ভ্রমণকে ইসরা বলা হয়। সেখান […]..বিস্তারিত

  • মদীনাবাসীদের প্রথম বাইয়াত

    নবুওয়াত প্রাপ্তির ১২তম বছর মদীনা থেকে ১২ জনের একটি প্রতিনিধি দল এসে রসূলের হাতে ইসলাম গ্রহণ করে মদীনায় ফিরে যায়। একে বায়আতে আকাবায়ে উলা বলা হয়।..বিস্তারিত

  • মদীনাবাসীদের দ্বিতীয় বাইয়াত

    নবুওয়াত প্রাপ্তির ১৩তম বছর মদীনা থেকে ৭৫ জনের অপর একটি প্রতিনিধি দল এসে রসূল (সাঃ) এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং রসূলকে সাহায্য ও আশ্রয় দানের অঙ্গীকার করেন। একে বায়আতে আকাবায়ে ছানিয়াহ বলা হয়।..বিস্তারিত

  • নবুওতপ্রাপ্তির প্রাক্কালে মুহাম্মদ (সাঃ)

    মুহাম্মদের বয়স যখন চল্লিশে, তখন তাঁর বিচার-বিবেচনা, বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা-ভাবনা, যা জনগণ এবং তাঁর মধ্যে ব্যবধানের এক প্রাচীর সৃষ্টি করে চলেছিলো, তা উন্মুক্ত হয়ে গেলো এবং ক্রমান্বয়ে তিনি নির্জনতাপ্রিয় হয়ে উঠতে লাগলেন। খাবার এবং পানি সঙ্গে নিয়ে মক্কা নগরী হতে দুই মাইল দূরে অবস্থিত হেরা পর্বত-গুহায় গিয়ে ধ্যানমগ্ন হতে থাকলেন। পুরো রমজান মুহাম্মদ হেরা গুহায় […]..বিস্তারিত

  • মুহাম্মদের (সাঃ) এর নবুওতপ্রাপ্তি

    মুহাম্মদের চল্লিশতম বছর যখন পূর্ণ হলো—এটাই হচ্ছে মানুষের পূর্ণত্ব প্রাপ্তির বয়স; এবং বলা হয়েছে যে, এ বয়স হচ্ছে পয়গম্বরগণের নবুয়তপ্রাপ্তির উপযুক্ত বয়স—তখন নবুওতের কিছু স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ হতে লাগলো। সে লক্ষণগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে স্বপ্নের মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছিলো : তিনি যখনই কোনো স্বপ্ন দেখতেন, তা প্রতীয়মান হতো সুবহে সাদেকের নিশ্চিতির মতো; এ অবস্থার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত […]..বিস্তারিত

  • মুহাম্মদ (সাঃ) নবুওতপ্রাপ্তি ও খাদিজার ভাই ওয়ারাকা

    ওয়ারাকা বিন নওফেল খাদিজার চাচাতো ভাই; জাহেলিয়াত-আমলে ওয়ারাকা খৃস্টধর্ম অবলম্বন করেছিলেন এবং ইবরানিভাষা পড়তে ও লিখতে শিখেছিলেন; একসময় তিনি ইবরানি ভাষায় কিতাব লিখতেন। মুহাম্মদ যখন ধ্যানস্থ হেরা-গুহায় জিবরাঈলের দেখা পেয়ে এবং ওহিপ্রদানসঞ্জাত আপাত ভীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে স্ত্রী খাদিজার কাছে এসে নিজের ভয় ও অস্থিরতা প্রকাশ করলেন, তখন খাদিজার সব শুনে এই চাচাতো ভাই ওয়ারাকার […]..বিস্তারিত

  • মুহাম্মদ (সাঃ) এর নবুওত-দাওয়াত-রিসালাতের সময়কাল ও স্তরভেদ

    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পয়গম্বরি জীবনকালকে দুইটি অংশে বিভক্ত করা যায়; কাজকর্মের ধারা-প্রক্রিয়া এবং সাফল্য। সাফল্যের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করলে দেখা যাবে যে, এর এক অংশ থেকে অন্য অংশ ছিলো ভিন্নধর্মী এবং ভিন্নতর বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যময়। অংশ দুটি হচ্ছে যথাক্রমে : ১. মক্কায় অবস্থানকাল প্রায় তেরো বছর। ২. মদিনায় অবস্থানকাল দশ বছর। তারপর মক্কি ও মাদানি—উভয় জীবনকাল […]..বিস্তারিত


মাদানী জীবন
  • মুহাম্মদ (সাঃ) এর নবুওত-দাওয়াত-রিসালাতের সময়কাল ও স্তরভেদ

    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পয়গম্বরি জীবনকালকে দুইটি অংশে বিভক্ত করা যায়; কাজকর্মের ধারা-প্রক্রিয়া এবং সাফল্য। সাফল্যের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করলে দেখা যাবে যে, এর এক অংশ থেকে অন্য অংশ ছিলো ভিন্নধর্মী এবং ভিন্নতর বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যময়। অংশ দুটি হচ্ছে যথাক্রমে : ১. মক্কায় অবস্থানকাল প্রায় তেরো বছর। ২. মদিনায় অবস্থানকাল দশ বছর। তারপর মক্কি ও মাদানি—উভয় জীবনকাল […]..বিস্তারিত

  • মদিনার পথে নবীজি

    মক্কা ছাড়তে হলো নবীজিকে। কাফেরদের সীমাহীন অত্যাচার, অমানুষিক নির্যাতন, বয়কট, অপবাদ, ঠাট্টা-বিদ্রুপ এমনকি সত্যের প্রচারের বিস্তৃতির প্রতি তাদের জিঘাংসীয় চেহারা নবীজিকে আর তাঁর জন্মভূমিতে থাকতে দিলো না। তিনি বিখ্যাত সহচর ও অকৃত্রিম বন্ধু আবু বকরকে সঙ্গে করে মদিনার পথ ধরেছেন। শুরুতেই হুট করে মদিনায় যাওয়াটা ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। সেমতে আল্লাহর-পথে-এক এই দুই মানুষ মক্কার অদূরে এক […]..বিস্তারিত

  • কুবায় নবীজি ও মসজিদ নির্মাণ

    মদিনাবাসী যেদিন থেকে শুনতে পেয়েছিলো,নবীজি আসছেন, সেদিন থেকেই তাঁরা রোজ ভোর থেকে দুপুর চড়া পর্যন্ত মদিনার বাইরে এসে নবীজির অপেক্ষা করতেন। এমনই একদিন, তখন সূর্য চড়ে আবার পড়ে যাচ্ছে বিকেলের দিকে, অপেক্ষারত মদিনাবাসী পথ নিয়েছে ঘরে ফেরার, এমন সময় এক ইহুদি হাঁক দিয়ে বললো,‘মদিনাবাসী, তোমরা যাঁর অপেক্ষা করছিলে, ওই তো তিনি আসছেন’; সকলে দৌড়ে এলো। […]..বিস্তারিত

  • নবীজির শহরে নবীজি

    সেদিন ছিলো শুক্রবার।নবীজি মদিনার অদূরে বনু সালেমের পাশে জুমা আদায় করলেন।তারপর তিনি প্রবেশকরতে থাকলেন ইয়াসরিবে, যে শহর তাঁকে বরণ করে নি‍য়ে মদিনাতুন্নবি হয়ে উঠবে; নবীর শহর হয়ে ওঠার বিরল ভাগ্য নিয়ে আসা সেই দিনের মতো অভাবিত দিন মদিনা ও মদিনাবাসীর জীবনে আর আসেনি। রবিউল আউয়াল মাসের জুমআর দিন কুবা হতে বিদায় নিয়েনবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি […]..বিস্তারিত

  • মসজিদে নববি প্রতিষ্ঠা

    মদিনায় হিজরত করার পর এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রথম কাজ হলো মসজিদে নববির নির্মাণ। আর এজন্য সে স্থানটি নির্ধারিত হলো,মদিনায়প্রবেশের যেখানে সর্বপ্রথম তাঁর উটটি বসেছিলো। এ স্থানটির মালিক ছিলো দুই এতিম বালক। বালকদ্বয় নবীজিকে মসজিদ নির্মাণের জন্য সে জমি দিয়ে দিতে চাইলেও তিনি জমিটি ন্যায্যমূল্যে ক্রয় করলেন এবং স্বশরীরে মসজিদের নির্মাণ-কাজে অংশগ্রহণ করলেন। নবীজি […]..বিস্তারিত

  • আনসার ও মুহাজিরদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন : অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপনে নবীজি

    মদিনায় মসজিদে নববির নির্মাণ-কাজ শেষ হলো। নির্মাণ-কাজে নবীজি নিজে এবং মুসলিমগণ পরস্পরকেসাহায্য-সহযোগিতা ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন;—অথচ একদিন আগেও তাঁরা এভাবে আত্মীয় হয়ে ওঠার কথা ভাবতে পারতেন না। তাঁদের এই অনুপম ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বকে অটুট ও স্থায়ী করার লক্ষ্যে নবীজি যে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন, বিশ্ব-ইতিহাসে তা এক উজ্জ্বল ও স্বতন্ত্রতম অধ্যায়।নবীজি […]..বিস্তারিত

  • রাষ্ট্রনায়ক নবীজি ও বিখ্যাত মদিনা সনদ

    হিজরতের পর মুহাজির ও আনসারদের সমন্বয়ে গঠিত মদিনার মুসলিম-সমাজকে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস, সুদৃঢ় ভ্রাতৃত্ব-বন্ধন এবং পরিচ্ছন্ন নিয়ম-শৃঙ্খলার উপর প্রতিষ্ঠিত করতে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সক্ষম হলেন, তখন তিনি মদিনার অমুসলিম জনগোষ্ঠির সঙ্গে সম্পর্ক-উন্নয়ন ও সমঝোতা গড়ে তোলার কাজে মনোনিবেশ করেন। তাঁর এ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য ছিলো জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের সুখী, সমৃদ্ধ ও […]..বিস্তারিত

  • একটি বৈপ্লবিক চুক্তি, জাহেলিয়াত-জীবনের অবসান ও নবীজি

    মসজিদে নববি নির্মাণের পর মুহাজির-আনসার ভ্রাতৃত্ব-চুক্তির মতোই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরেকটি চুক্তিও সম্পাদন করেন হিজরতের অব্যবহিত পরেই;মুসলিমদের মাঝে সম্পাদিত এই চুক্তির অধীনে জাহেলিয়াত-যুগের সকল গোত্রীয় গণ্ডগোলের মূলোৎপাটন এবং যাবতীয় কুসংস্কার ও রসম-রেওয়াজের বিলোপ ঘটে। এ অঙ্গীকারনামার দফাগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে বিন্যস্ত হলো— এ চুক্তি লিখিত হচ্ছে নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে […]..বিস্তারিত

  • ইসলামে জিহাদের নির্দেশ

    কী ভয়ঙ্কর আর মানবেতর জীবনের মুখোমুখি হয়ে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবাদের পক্ষে হিজরত অনিবার্য হয়ে উঠেছিলো অত্যাচার ও নির্যাতনক্লিষ্ট মাক্কি জীবন তার সাক্ষী। মক্কা থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করেই যে মক্কার কাফেররা স্থির হয়েছিলো, তা নয়; তারা বরং তাদের নতুন বাসস্থান মদিনাকেও নরক করে তোলার হীন ষড়যন্ত্রে দিন-রাত নিজেদের ব্যস্ত করে তুলেছিলো। সেই […]..বিস্তারিত

  • নবীজির জিহাদগুলো বা গাজওয়া ও সারিয়াসমূহ

    মদিনার জীবনে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য জিহাদের নির্দেশনা মুসলিমদের উপর অর্পিত হয়। প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষামূলক এই সশস্ত্র কর্মপন্থা মাদানি জীবনের প্রায় পুরো সময় জুড়েই বিস্তৃত ছিলো।নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং এই দায়িত্ব পালন করেছেন, পালন করেছেন সাহাবাদের পুরো জামাত।নবীজির এই বিচিত্র যুদ্ধজীবন দুইটি ভাগে বিভক্ত;—নবীজি স্বয়ং যেসব যুদ্ধে অংশ নিতেন, সেগুলোকে গাজওয়া এবং অন্যগুলোকে সারিয়া […]..বিস্তারিত

  • প্রথম হিজরিতে নবীজি

    নবীজি যখন মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনার অদূরবর্তী কুবায় অবস্থান করছিলেন, সে সময় নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশে হযরত ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু ইসলামি সন ও তারিখের সূচনা করেন এবং ‘মুহাররম’-কে হিজরি সনের প্রথম মাস নির্ধারণ করা হয়। প্রথম হিজরিতে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলাম নামক দ্বীনের এবং মদিনা নামক নতুন রাষ্ট্রের যাবতীয় ব্যবস্থাপনার কেন্দ্র […]..বিস্তারিত

  • দ্বিতীয় হিজরিতে নবিজি

    এ বছর হতে ইসলামের জীবনে এক বিরাট পরিবর্তন সূচিত হয়,—নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আকাঙ্ক্ষা মাফিক বাইতুল মুকাদ্দাসের পরিবর্তে পৃথিবীর প্রাচীনতম ঘর কাবা শরিফকে মুসলমানদের কেবলা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়; হযরত আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশের নেতৃত্বাধীন সারিয়া ইসলামের পক্ষে সর্বপ্রথম গনিমতের অধিকারী হয়;বদরের প্রাঙ্গণে পরাক্রমশালী কুরাইশদের বিরুদ্ধে সহায়-সম্বলহীন গুটিকয় মুসলিমের মধ্যে সংঘটিত হয় বিখ্যাত বদর-যুদ্ধ, অসম্ভব […]..বিস্তারিত

  • তৃতীয় হিজরিতে নবীজি

    দাসুর ইবনে হারেস মোহারিবি নামক এক ব্যক্তি ৪৫০ জন সৈন্য নিয়ে মদিনা আক্রমণ করতে আসছে শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রতিহত করার জন্য এগিয়ে এলে তারা পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে আশ্রয় নেয়। এ সময় একটি ঘটনা ঘটে। শত্রু পলায়ন করেছে ভেবে রাসূল নিশ্চিন্ত মনে ময়দানে ঘুমিয়ে ছিলেন। দাসুর দূর থেকে এ দৃশ্য লক্ষ করে নবীজির […]..বিস্তারিত

  • চতুর্থ হিজরিতে নবীজি

    নানাভাবে নবীজিকে ভারাক্রান্ত করার পাঁয়তারা কুরাইশরা ফেঁদেই রাখতো। আরবের প্রায় প্রতিটি গোত্রকে তারা নবীজির বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে এবং লেলিয়ে দিয়েছিলো। সেই সূত্রে উহুদে এবং তৎপরবর্তী সময়েও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গোত্র মদিনার উপর বা মদিনার মুসলিম কাফেলার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতি করার তক্কে থাকতো। সেই ধারাবাহিকতায় এই বছর দুইটি বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনা ঘটে। কিছু গোত্রের কতিপয় লোক রাসূলের কাছে […]..বিস্তারিত

  • বিরে মাউনার যুদ্ধ

    আবু বারা আমির বিন মালিক এক দফা মদিনায় নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের খেদমতে উপস্থিত হলো।নবীজি তাঁকে ইসলামের দাওয়াত দিলেন। সে ইসলাম গ্রহণ করলো না কিংবা সরেও গেলো না, বরং বললো, ‘হে আল্লাহর রাসূল, যদি আপনি দ্বীনের দাওয়াত দেওয়ার জন্য কিছু সাহাবিকেনাজদবাসীর নিকট প্রেরণ করেন, তাহলে তারা আপনার দাওয়াত গ্রহণ করবে বলে আশা করি।’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু […]..বিস্তারিত

  • মদিনায় অবাঞ্ছিত বনু নাযির

    আমর বিন উমাইয়া রাযিয়াল্লাহু আনহু বিরে মাউনার ঘটনার সংবাদ নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে বনু কিলাবের দুই ব্যক্তিকে এই ভেবে হত্যা করে যে, এরা বিরে মাউনার বিশ্বাসঘাতকদের দলছুট সদস্য; কিন্তু আসলে তারা তা ছিলো না। নবীজির সামনে বিরে মাউনার ঘটনার সঙ্গে যখন তিনি এই ঘটনাও বর্ণনা করেন, তখন নবীজি বলেন, এই দুই নিহত ব্যক্তির পণ দেওয়া […]..বিস্তারিত

  • পঞ্চম হিজরিতে নবীজি এবং গাজওয়ায়ে আহযাব

    নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আগমন করেন, তখন এখানকার ইহু্দিদের সাথে একটি শান্তি চুক্তি করেন।তিনি সর্বদা এই চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।কিন্তু ইহুদিদের মনোভাব ছিলো সম্পূর্ণ উল্টো।নবীজির আগমনের পর ইসলামের ক্রমাগত উন্নতি ও শক্তি-শৌর্য দেখে তাদের মনেহিংসা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হতো। বদর যুদ্ধেমুসলমানদের বিস্ময়কর বিজয় ইহুদিদের ক্ষোভ ও হিংসাকে আরও বাড়িয়ে তুললো। সুপ্ত এই […]..বিস্তারিত

  • ষষ্ঠ হিজরিতে নবীজি

    বাইয়াতে রিজওয়ানও হুদাইবিয়ার সন্ধি ষষ্ঠ হিজরির যিলকদে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামওমরা করার নিয়তে ইহরাম বাঁধেন। নবীজির সাথে মক্কাভিমুখে রওনা হন১৪ বা ১৫ শত সাহাবির বিরাট জামাত। হুদাইবিয়া মক্কা মোয়াযযমা থেকে এক মনযিল দূরে একটি কূপ;এর নামানুসারেই এলাকার নামওহুদাইবিয়া। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানে যাত্রাবিরতি করলেন। নবীকরিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মর্মে অবহিত করতেহযরত […]..বিস্তারিত

  • বিশ্বের শাসকবর্গের কাছে চিঠি

    নবীকরিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যের এই আহ্বান গোটা দুনিয়ার সকল শাসকবর্গের কাছে পৌঁছে দিতে মনস্থ করলেন। সুতরাং এ উদ্দেশ্যে আমর ইবনে উমাইয়া রাযিয়াল্লাহু আনহুকে হাফসার বাদশা আসহামনাজ্জাশির নিকট প্রেরণ করেন।আসহাম নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র পত্রটি তাঁর উভয় চোখের উপর স্থাপন করলো এবং সিংহাসন হতে নেমেনিচে মাটির উপর বসে গেলো আরস্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলাম গ্রহণ করলো। […]..বিস্তারিত

  • সপ্তম হিজরিতে নবীজি

    গাজওয়ায়ে খায়বর মদিনার ইহুদিদের মধ্য থেকে বনু নাযির যখন খায়বরে গিয়ে বসতি স্থাপন করে, তখন থেকেই খায়বর যাবতীয় ইহুদি-তৎপরতার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়।তারা আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণকে ইসলামের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করতো।তাদের এই অপতৎপরতা বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৭ম হিজরির মুহাররম কিংবা জুমাদাল উলায় চারশত পদাতিক এবং দুইশত অশ্বারোহী বাহিনী নিয়ে খায়বর […]..বিস্তারিত

  • অষ্টম হিজরিতে নবীজি

    মুতারযুদ্ধ মুতাসিরিয়ার বালকাশহরের সন্নিকটে বাইতুল মুকাদ্দাস হতে প্রায় দুই মনযিল দূরত্বে অবস্থিতএকটি স্থানের নাম।এখানেই মুসলমান এবংরোমানদের মাঝে প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়;রোম-সম্রাটের পক্ষে বসরার শাসনকর্তাআমর ইবনে শুরাহবিল নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দূত হযরত হারেস ইবনে উমায়ের রাযিয়াল্লাহু আনহুকে হত্যার বদলায় এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিলো। ৮ম হিজরির মাঝামঝিতে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন হাজার সাহাবার […]..বিস্তারিত

  • মক্কা বিজয়

    হুদায়বিয়ার সন্ধিপত্রে যেসব শর্ত লিপিবদ্ধ হয়েছিলো, মুসলমানরা তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পরিপূর্ণ নিষ্ঠা ও বিশ্বস্ততার সাথে সেগুলো পালন করে আসছিলেন।কিন্তু ৮ম হিজরিতে কুরাইশরাসেইসন্ধিভঙ্গ করলো।নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন দূত পাঠিয়ে চুক্তিনামা নবায়নের জন্য কুরাইশদের সামনে কতিপয় শর্ত উপস্থাপন করলেন এবং শেষের দিকে লিখে দিলেন যে, এ শর্তগুলো তাদের মনঃপুত না হলে হুদাবিয়ার সন্ধি ভেঙে […]..বিস্তারিত

  • হুনাইনের যুদ্ধ

    মক্কা বিজয়েরপর সাধারণভাবে আরবের লোকেরা বিপুল সংখ্যায়ইসলাম গ্রহণ করতে শুরু করে।এদের মধ্যে এমন অনেক লোক ছিলেন, যারা ইসলামেরসত্যতা সম্পর্কে নিঃসন্দেহ হওয়া সত্ত্বেও কুরাইশদের প্রতিপত্তির ভয়ে ইসলাম গ্রহণে বিলম্ব করছিলেন এবং মক্কা বিজয়ের অপেক্ষা করছিলেন।এখন তাদের সকলেই দলে দলে ইসলামে প্রবেশ করলেন।অবশিষ্ট আরবদেরও এমনশক্তি বা সাহস ছিলো না যে, তারা ইসলামের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।কিন্তু হাওয়াযিন ও […]..বিস্তারিত

  • প্রতিনিধিদলের আগমন এবং দলে দলে ইসলাম গ্রহণ

    হুদায়বিয়ার সন্ধির পর যখন পারস্পরিক যোগাযোগের রাস্তা নিরাপদ হয়ে গেলো, তখন ইসলামের প্রচার ও প্রসার ব্যাপকভাবে সংঘটিত হওয়ার সুযোগ লাভ করে। কিন্তু ওই সন্ধির পরও কারও কারও ভেতর যা কিছু বাধোবাধো ব্যাপার ছিলো, মক্কা বিজয়ের পর তাও দূর হয়ে যায়।পবিত্রকুরআন এখন সমগ্র আরবের ঘরে ঘরেতার অনন্যসাধারণ প্রয়োগক্ষমতারমাধ্যমে সবার হৃদয়েপ্রভাব বিস্তার করলো।ফল দাঁড়ালো এই, যে লোকগুলো […]..বিস্তারিত

  • দশম হিজরিতে নবীজি ও বিদায় হজ

    দশম হিজরির যিলকদের ২৫তারিখ সোমবার নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা মুয়াযযমা অভিমুখে যাত্রা করেন।সাহাবাদের এক বিরাট দল তাঁর সঙ্গী,যাঁদের সংখ্যা একলাখের চেয়েও বেশি।মদিনা হতে ছয় মাইলদূরে যুলহুলায়ফা নামক স্থানে গিয়ে ইহরাম বাঁধেন।অতঃপর ৪ঠা যিলহজ শনিবার মক্কা মুআযযমায় প্রবেশ করেন এবং শরীয়তের বিধান অনুযায়ী হজ আদায় করেন। জিলহজ মাসের নবম তারিখে […]..বিস্তারিত

  • একাদশ হিজরিতে নবীজি ও তাঁর মহাপ্রয়াণ

    মক্কা হতে ফিরে এসে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাদশ হিজরির২৬শেসফর সোমবার দিন রোমানদের বিরুদ্ধে জিহাদের উদ্দেশ্যে একটি অভিযান প্রস্তুত করেন।যে অভিযানে হযরত সিদ্দিকে আকবর, হযরত ফারুকে আযম ও হযরত আবু উবাইদার ন্যায় প্রবীণ সাহাবিগণ শামিল ছিলেন। এ অভিযানের নেতৃত্ব অর্পিত হয় অপেক্ষাকৃত তরুণ সাহাবি হযরত উসামার উপর। এটাই ছিলো সর্বশেষ অভিযান, যা প্রেরণের সকল […]..বিস্তারিত